প্রকাশ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৩ এ.এম
থাইল্যান্ডে নির্বাচন ও সংবিধান পরিবর্তনের গণভোট আজ
ফাইল ছবি
থাইল্যান্ডে নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ৫ কোটি ৩০ লাখ ভোটারের এই দেশটিতে ৫০০ আসনের প্রতিনিধি নির্বাচনের পাশাপাশি সামরিক জান্তা সরকারের প্রণীত সংবিধান পরিবর্তনের প্রশ্নে একটি ঐতিহাসিক গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গত দুই বছরে থাইল্যান্ডে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তিনবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল গত ডিসেম্বরে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার পর আজকের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে মূলত তিনটি দলের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে:নাথাপং রুয়েংপানিয়াওয়াত-এর নেতৃত্বাধীন এই প্রগতিশীল দলটি জনমত জরিপে সবচেয়ে এগিয়ে। এটি মূলত বিলুপ্ত হওয়া ‘মুভ ফরোয়ার্ড’ পার্টির উত্তরসূরি।বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের নেতৃত্বাধীন এই দলটিকে রাজতন্ত্র ও সামরিক শিবিরের প্রধান ভরসা হিসেবে দেখা হচ্ছে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থিত এই দলটি তার ভাতিজা ইয়োদচানান ওংসাওয়াতকে সামনে রেখে লড়ছে।
নির্বাচনের সমান্তরালে ভোটাররা একটি হলুদ ব্যালট পেপারে মতামত দিচ্ছেন—তারা ২০১৭ সালের সামরিক শাসন আমলের সংবিধানটি পরিবর্তন করতে চান কি না। গণতন্ত্রপন্থীদের দাবি, বর্তমান সংবিধান সামরিক ও বিচার বিভাগকে অন্যায্য ক্ষমতা দিয়েছে। এই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে নতুন সংবিধান রচনার পথ প্রশস্ত হবে।
জরিপ অনুযায়ী, পিপলস পার্টি সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা (২৫১ আসন) পাওয়া তাদের জন্য কঠিন হবে। সেক্ষেত্রে ভুমজাইথাই এবং ফেউ থাই মিলে পুনরায় জোট সরকার গঠন করে সংস্কারপন্থীদের ক্ষমতার বাইরে রাখার চেষ্টা করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে এবং রাতেই প্রাথমিক ফলাফল পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
