প্রকাশ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪০ পি.এম
বিএনপির শক্ত ঘাঁটি বগুড়া, ৭টি আসনে চ্যালেঞ্জে জামায়াত
বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীরা।
১৮ বছর পর দেশের উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার খ্যাত বগুড়ায় এখন নির্বাচনী উৎসবের আমেজ। নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের দোরগোড়ায়। বগুড়ার ১২টি উপজেলা ও ১২টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত সংসদীয় ৭টি আসনে মোট ৩৪ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন। বরাবরের মতই হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্য’র আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। বগুড়া-৬ আসনে আগে লড়তেন তারেক রহমানের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া।
অন্যদিকে প্রথমবারের মত ভোটের মাঠে লড়ছেন তারেক রহমান। অন্যদিকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটিখ্যাত এই বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা, জয়ের বিষয়ে তারা আশাবাদী।
এদিকে বগুড়ার জেলার ৯৮৩টি ভোট কেন্দ্রের ৫০০টি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত। জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী ভোটকক্ষ রয়েছে ৫ হাজার ৪৭৮টি। ভোট কেন্দ্রগুলোর সুরক্ষায় সেনা, র্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রের কোনো অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা হলে বডি-ওয়্যার্ন-ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরার সহায়তা নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসারের অফিস সুত্রে জানা যায়, জেলায় ৭টি জাতীয় সংসদের আসনে এবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৯৪০জন ভোটার। মোট ভোটারের পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি। নারী ভোটার রয়েছে ১৫ লাখ ১ হাজার ২৭ জন, পুুরুষ ভোটার রয়েছে ১৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭১ জন এবং ৩য় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার রয়েছে ৪২ জন। বগুড়া সংসদীয় ৭টি আসনে এবার লড়াই করছেন মোট ৩৪ জন রাজনীতিবিদ।
বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা): এই আসনে মোট প্রার্থী ৫ জন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, ডাব প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ কংগ্রেসের আসাদুল হক, উদীয়মান সূর্য প্রতীক নিয়ে গণফোরামের জুলফিকার আলী, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা। প্রতীক পাওয়ার পর থেকে প্রার্থী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬১৪ জন। এরমধ্যে পুরুষের তুলনায় নারী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার বেশি। সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা দুই উপজেলার ভোটের মাঠে পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিএনপির ঘাঁটিখ্যাত এই আসনে ধানের শীষের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা হবে দাঁড়িপাল্লার। এছাড়াও যারা ভোটের মাঠে রয়েছেন তাদের ভোটের সংখ্যা হাতে গোনা বলে জানান স্থানীয়রা।
সাবেক এমপি কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে এখানকার এমপি ছিলাম। বিগত ১৭ বছর তাদের সুখেদুখে পাশে ছিলাম। উন্নয়নের জোয়ার উঠবে এই আসনে, তাই এখানকার ভোটাররা আবারও ধানের শীষকে বিজয়ী করে ঘরে ফিরবে।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই। বেকারত্ব দূরীকরণ, নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধান এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ): এই আসনে সাতজন প্রার্থী রয়েছেন। হেভিওয়েট হিসেবে নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না কেটলি প্রতীক নিয়ে ভোট করছেন। নির্বাচনের শুরুতে তিনি বিএনপি থেকে ধানের শীষ নিয়ে ভোট করার কথা থাকলে তিনি নিজ দলের হয়ে কেটলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। এই আসনে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করছেন বিএনপির মীর শাহে আলম।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাবেক এমপি আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান, একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু সিঁড়ি প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন’র মোঃ জামাল উদ্দিন হাতপাখা, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি’র) সেলিম সরকার ট্রাক ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ পেয়েছেন লাঙ্গল প্রতীক, তবে তিনি ভোটারদের খোলা চিঠি দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
এই আসনেও ধানের শীষের সাথে দাঁড়িপাল্লার প্রতিদ্বন্দিতা হবে বলে জানা গেছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪২ হাজার ১৫৫ জন। মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা।
বিএনপি প্রার্থী মীর শাহে আলম জানান, শিবগঞ্জের মানুষ তাকে ধানের শীষে ভোট দেয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে রয়েছে। ১৭ বছরের অবহেলা ও বঞ্চনা অবসান ঘটবে বলে মনে করেন তিনি।
১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদুজ্জামান এমপি হয়েছিলেন এই আসন থেকে। তিনি বলেন, শিবগঞ্জের মানুষ আর ভুল করবে না। তারা দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবে। জামায়াতের হাতধরে এই এলাকার সকল উন্নয়ন সাধিত হবে।
নাগরিক ঐক্য’র আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, মানুষের কাছে ব্যাপক হারে সাড়া পাচ্ছি। ভোটের মাধ্যমেই বিপ্লব হবে বলে মনে করেন তিনি।
বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) : এ আসনে চারজন প্রার্থী রয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীক বিএনপির আব্দুল মুহিত তালুকদার, জাতীয় পার্টির শাহিনুল ইসলাম লাঙ্গল প্রতীক, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহজাহান আলী তালুকদার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯ হাজার ১৭৩ জন। ভোটাররা মনে করছেন এই আসনে ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দিতা করবে দাঁড়িপাল্লা। অন্যরা মাঠে থাকলেও তাদের ভোট খুবই কম।
বিএনপির আব্দুল মুহিত তালুকদার বলেন, বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। বগুড়ার মাটি শহীদ জিয়ার বিএনপির ঘাটি। এই আসনে মানুষ তাকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তাকে নির্বাচিত করবেন বলে মনে করেন তিনি।
জামায়াতের গুনাহার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ বলেন, মানুষ অতীতে সব দলকেই দেখেছে কিন্তু স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও মানুষের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। জণগণের ভোটে নির্বাচিত হলে কোন দলের এমপি না হয়ে সবাইকে নিয়ে আধুনিক এবং মডেল আদমদীঘি - দুপচাঁচিয়া গড়ে তুলতে চাই। জয়ের বিষয়ে তিনি দৃঢ় আশাবাদী।
বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) : এ আসনে চারজন প্রার্থী রয়েছেন এবং মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫২৩ জন। ধানের শীষ প্রতীকে জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মোশারফ হোসেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির শাহীন মোস্তফা কামাল, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহা. ইদ্রিস আলী মাঠে রয়েছেন। তারা সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছেন প্রচার প্রচারণা। এই আসনে একসময় জামায়াতের শক্ত অবস্থান ছিল এবং এই আসনে তারা আবারও জয় পাবেন বলে মনে করছেন।
বিএনপির মোশারফ হোসেন বলেন, ১৭ বছর ধরে এই এলাকার মানুষের সাথে আছি। তাই তারা আমাকে নয় ধানের শীষ বিজয়ী করবেন। যে উন্নয়ন গুলো বাকি রয়েছে সেগুলো প্রতি গুরুত্ব দেয়া হবে।
জামায়াতে ইসলামীর মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ বলেন, মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। তরুণ সমাজের মেধা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ ও সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সকল ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) : এ আসনে প্রার্থী রয়েছেন ৫ জন এবং মোট ভোটারের সংখ্যা ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৩৪০ জন। এখানে ধানের শীষের প্রতীকে বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর দবিবুর রহমান, কাস্তে প্রতীকে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শিপন কুমার রবিদাস, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন’র মীর মো. মাহমুদুর রহমান ও ছাতা প্রতীকে এলডিপির প্রার্থী খান কুদরত ই সাকলাইন। এখানেও ধানের শীষের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা হবে দাঁড়িপাল্লার।
বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ বলেন, এখানকার মানুষ আমাকে বার বার নির্বাচিত করেছে। এবারও তারা ফ্যাসিস্টদের পতনের পর ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে আনতে মরিয়া। তাই বিপুল ভোট জয় নিশ্চিত।
জামায়াতে ইসলামীর দবিবুর রহমান বলেন, ভোটারদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। সবাই নতুন মুখ চাচ্ছে। আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।
বগুড়া-৬ (সদর) : বগুড়ার সবচেয়ে আলোচিত আসন এটি। এই আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ মোট ৫ জন প্রার্থী এবং মোট ভোটর সংখ্যা ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩ জন। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল, তারা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন’র আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ ও মই প্রতীকে বাসদ মনোনীত প্রার্থী দিলরুবা নূরী, বগুড়ার সাতটি আসনের মধ্যে তিনিই একমাত্র নারী প্রার্থী।
দীর্ঘদিন ধরে এই আসনটি বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সেই ধারাবাহিকতায় এবার বিএনপি এই আসনে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রার্থী করেছে। ইতিমধ্যে তারেক রহমান ১৯ বছর পর বগুড়ায় এসে দলীয় নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রেখেছেন এবং এলাকার মানুষের কাছে ভোট চেয়েছেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, বগুড়া বিএনপির দূর্গ, এখনো আছে। দলের চেয়ারম্যান এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন। সর্বস্তরের ভোটারের মধ্যে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। আমরা আশা করছি, সব রেকর্ড ভেঙে তারেক রহমান সারা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।
জামায়াতে ইসলামীর আবিদুর রহমান সোহেল বলেন, জুলাইয়ের গণ-অভ্যূত্থানের পর বগুড়ার রাজনীতির চিত্র পাল্টে গেছে। বগুড়া এখন কোনো দলের একক দূর্গ নয়। আগামী নির্বাচনে ভোটাররাই সেটি প্রমাণ করে দেবেন।
বাসদের প্রার্থী দিলরুবা নূরী বলেন, মানুষ তার বিবেক নাড়া দিয়েছে। এবারের ভোটে ভোটাররা তার বিবেককে জয়যুক্ত করবেন।
বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) : এই আসনে মোট প্রার্থী হয়েছেন ৪ জন এবং মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৯২জন। এই আসনে বিএনপি নেতা মোরশেদ মিলটন ধানের শীষ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ’র মোঃ আনছার আলী হারিকেন, জামায়াতে ইসলামীর গোলাম রব্বানী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলন’র মোঃ শফিকুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রচারণা চারিয়ে যাচ্ছেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বাড়ি গাবতলী উপজেলায় হওয়ায় আসনটিতে বরাবর প্রার্থী হয়ে আসছেন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়া। বগুড়ার এই আসনেও ধানের শীষের সাথে লড়াই হবে দাঁড়িপাল্লার। অন্যরা মাঠে থাকলেও তাদের অবস্থান ক্ষীণ।
মোরশেদ মিলটন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে গাবতলী-শাজাহানপুরের মানুষের পাশে রয়েছি। নির্বাচিত হলে জিয়া পরিবারের আদর্শ অনুসরণ করে এলাকার উন্নয়নে কাজ করবেন তিনি।
জামায়াতের প্রার্থী গোলাম রব্বানী বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের সঙ্গে এর আগেও প্রতিদ্বন্দিতা করেছি। কিন্তু তিনি না থাকায় এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। গাবতলী-শাজাহানপুর কোন দল বা গোষ্ঠীর নয় বলে দাবি করেন তিনি।
বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুর রহমান জানান, বগুড়ায় সাতটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৪জন বৈধ প্রার্থী রয়েছে। এই প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঠে রয়েছে। ভোট গ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় শেষ করা হয়েছে।
বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ ফজলুল করিম বলেন, জেলায় সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণে সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষের দিকে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ করতে সার্বক্ষনিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।
